ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬

যেসব সরকারি কর্মকর্তার বিদেশে বাড়ি আছে তাদের সম্পদের উৎস খুঁজবে দুদক

ads

যেসব সরকারি কর্মকর্তার বিদেশে বাড়ি আছে তাদের সম্পদের উৎস খুঁজবে দুদক। এরইমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিএফআইইউর কাছেও বেশকিছু তথ্য চেয়েছে সংস্থাটি। বুধবার এক অনুষ্ঠানে বিদেশে টাকা পাচারকারীদের সম্পর্কে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কানাডার টরোন্টোতে থাকা বাংলাদেশিদের বিষয়ে খোঁজ নেয়া হয়েছে। আমার ধারণা ছিল সেখানে রাজনীতিবিদের সংখ্যা বেশি হবে। কিন্তু সংখ্যার দিক থেকে আমাদের সরকারি কর্মচারীর বাড়িঘর সেখানে বেশি আছে এবং তাদের ছেলেমেয়েরা সেখানে থাকে। তিনি বলেন, আমার কাছে ২৮টি কেস এসেছে। এর মধ্যে রাজনীতিবিদ হলেন চারজন। এছাড়া কিছু আছেন তৈরি পোশাক শিল্পের ব্যবসায়ী। তবে বিভিন্ন মিডিয়ায় হাজার হাজার কোটি টাকা পাচারের যে তথ্য বের হচ্ছে, তার পরিমাণ তত নয় বলেও জানান তিনি। 

আন্তর্জাতিক সংস্থা গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি-জিএফআই- এর সবশেষ প্রতিবেদন বলছে, কেবল ২০১৫ সালেই বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়েছে ৯৮ হাজার কোটি টাকা। আলোচিত পানামা, প্যারাডাইস পেপারসেও এসেছে বেশ ক'জন বাংলাদেশির নাম। 

এমন অবস্থায় পাচারকারীদের চিহ্নিত করতে বাংলাদেশ থেকে এ পর্যন্ত কতজন বিভিন্ন দেশে ইনভেস্টমেন্ট কোটায় নাগরিকত্ব পেয়েছেন তার তথ্য জানতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে দুদক।  অক্টোবরে পাঠানো এ চিঠির বিষয়ে এখনো মন্ত্রণালয় থেকে কোনো তথ্য পায়নি দুদক। দুদকের গোয়েন্দা ইউনিটও গোপনে কয়েকজন আমলার বিষয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছে। জানা গেছে, সম্প্রতি পাচারকারীদের বিষয়ে তথ্য চেয়ে বিএফআইইউতেও চিঠি দিয়েছে দুদক। সংস্থাটির চেয়ারম্যান বলছেন, যাদের বিষয়ে তথ্য পাওয়া যাবে তাদের আয়ের উৎস খতিয়ে দেখা হবে। দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, অর্থ পাচার করে সরকারি কর্মকর্তারা বিদেশে থাকে এমন তালিকা আমরা পেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমরা এ বিষয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছি।

দুদকের গোয়েন্দা তথ্য বলছে, এরইমধ্যে উচ্চ পদস্থ সাবেক এবং বর্তমান আমলার বিষয়ে গোপনে বিভিন্ন মাধ্যমে তারা খোঁজ নেয়া হচ্ছে।

ads
ads
ads

Our Facebook Page